সিএকিউএম আমৃতসর ও তারনতারনে ধানের খড় ব্যবস্থাপনায় নেওয়া পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করেছে
সিএকিউএম অমৃতসর ও তারনতারণে ধানের পরালি ব্যবস্থাপনার কার্যকর পদ্ধতি পর্যালোচনা করেছে। কর্মকর্তারা কৃষকদেরকে স্টিমার ও বার্নারের মতো যন্ত্রপাতি ব্যবহারের উৎসাহিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
২৫ অক্টোবর ২০২৬-এ, সিএকিউএম (সংযুক্ত পুলিশ কমিশনার) আমৃতসর ও তারনতারন জেলায় ধানের পরালি ব্যবস্থাপনার প্রচলিত পদ্ধতিগুলোর বিস্তারিত পর্যালোচনা করেছেন। এই সভার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বায়ু দূষণ কমানোর জন্য কৃষকদের বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে ঝোঁকানো। সিএকিউএম দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন যে, গত বছরগুলোর তুলনায় এবার পরালি পোড়ানোর ঘটনায় দ্রুত হারে কমেছে, যদিও এখনও কিছু এলাকায় এই সমস্যা বিদ্যমান।
পর্যালোচনার সময়, সিএকিউএম জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চেয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে আমৃতসর ও তারনতারনে মোট কত হেক্টর জমিতে ধান কাটা হয়েছে এবং তার মধ্যে কত অংশ পরালি ব্যবস্থাপনা যন্ত্রপাতি দিয়ে সামলানো হয়েছে। কর্মকর্তারা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন যে স্টিমার, বার্নার এবং শ্রেডারের মতো যন্ত্রের ব্যবহারে বৃদ্ধি হয়েছে, যার ফলে ধোঁয়া ও দূষণের মাত্রায় উল্লেখযোগ্য হ্রাসের রেকর্ড হয়েছে।
সিএকিউএম সব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যে তারা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা ছড়ানোর জন্য বিশেষ অভিযান পরিচালনা করুক। তিনি বলেছেন যে কৃষকদের পরালি পোড়ানোর ক্ষতি এবং বিকল্প পদ্ধতির সুবিধা সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া, যাদের কাছে যন্ত্রপাতি নেই, তাদের ভাড়ায় নেওয়ার সুবিধা প্রদানে সহায়তা করা হবে, যাতে তাদের অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা বহন করতে না হয়।
সভায় এটিও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, যেসব ক্ষেতে পরালি পোড়ানোর সম্ভাবনা বেশি, সেখানে নজরদারি বাড়ানো হবে। পুলিশ বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে তারা মাঠের স্তরে উপস্থিত থাকবে এবং যেকোনো ধরনের আগুন নিয়ন্ত্রণের ঘটনা রোধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। সিএকিউএম সতর্ক করেছেন যে, পরালি পোড়ানোর কৃষকদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে জরিমানা এবং কারাদণ্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কর্মকর্তারা আশ্বাস দিয়েছেন যে, এবার বায়ু মান সূচক (AQI)-এ স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা করা হবে। সিএকিউএম শেষে বলেছেন যে, পরালি ব্যবস্থাপনা শুধুমাত্র পরিবেশের জন্যই প্রয়োজনীয় নয়, বরং শহরের পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যসম্পর্কীয় সমস্যা দূর করতেও এটি সহায়ক। তিনি সব সংশ্লিষ্ট বিভাগকে সমন্বয় বজায় রাখতে এবং নিয়মিত প্রতিবেদন নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছেন, যাতে আমৃতসর ও তারনতারনে বায়ু দূষণের সমস্যার স্থায়ী সমাধান দেওয়া সম্ভব হয়।