সিরসিলা | ক্ষতিপূরণ প্রাপ্ত জমি কিভাবে ব্যক্তিগত ব্যক্তিদের নামে?.. দেশাইপল্লি গ্রামবাসীদের জনসভায় অভিযোগ
রাজন্না সির্সিলা জেলার বোনপালি মণ্ডলে দেশাইপলি গ্রামবাসীরা একটি মৌলিক অবকাঠামো প্রকল্পের অধীনে নেওয়া জমি আবার ব্যক্তিগত ব্যক্তিদের নামে নিবন্ধিত হওয়ার প্রশ্ন উত্থাপন করছেন। তারা অভিযোগ করেছেন যে বন্যা নিয়ন্ত্রণ খাল নির্মাণের জন্য জিরোল্যান্ড কাটা হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, তবু একই জমির রেজিস্ট্রি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
রাজেন্না সিরসিলা জেলার বোনপালি মণ্ডলের দেশাইপলি গ্রামে একটি গুরুতর প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের ঘটনা সামনে এসেছে। গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা 'প্রজাবানী' মিডিয়া নিউজ চ্যানেলকে দেওয়া অভিযোগে প্রশ্ন তুলেছেন যে, বন্যা নিয়ন্ত্রণ নালি (ভারাডা কালু) নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে জিরোল্যান্ড করা জমি, যার জন্য সরকার আগেই ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করেছিল, সেটি কিভাবে আবারও ব্যক্তিগত ব্যক্তিদের নামে নিবন্ধিত হলো?
দেশাইপলির গ্রামবাসীরা দাবি করেন যে, যখন বন্যা নিয়ন্ত্রণ নালির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল, তখন প্রশাসন প্রকল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছিল। সেই সময় সরকারের নিয়ম অনুযায়ী জমিদারদেরকে যথাযথ ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ার সময় ধারণা করা হয়েছিল যে, জমিটি এখন সরকারি সম্পত্তি হয়ে গেছে এবং এর ব্যবহার শুধুমাত্র জনস্বার্থে, অর্থাৎ নালি নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য হবে। তবে বাসিন্দাদের মতে, কিছু সময় পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে যায়।
গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন যে, যে জমি আগেই সরকারি নামে নিবন্ধিত হয়ে গিয়েছিল এবং যার ক্ষতিপূরণও পরিশোধ করা হয়েছিল, সেটি এখন হঠাৎ করে কিছু ব্যক্তিগত ব্যক্তিদের নামে নিবন্ধিত করে দেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে, এই নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি আইনত কি বৈধ ছিল, নাকি এটি কোনো ধরনের প্রতারণার অংশ ছিল। তারা দাবি করেছেন যে, জমি ক্রয়কারী ব্যক্তিগত ব্যক্তিরা সরকারি রেকর্ডে দাবিকৃতভাবে হস্তক্ষেপ করে তাদের মালিকানার দাবি করেছেন, যদিও জমির প্রকৃত মালিক এখন রাজ্য সরকার।
প্রজাবানীকে দেওয়া বিবৃতিতে দেশাইপলির গ্রামবাসীরা জেলার কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর কাছে এই বিষয়ে গভীরভাবে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরে জমির পরিমাণ এবং মালিকানা কীভাবে পরিবর্তন করা যেতে পারে, যদিও জমিটি এখন জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত। গ্রামবাসীরা সতর্ক করেছেন যে, যদি এই অনিয়মের তদন্ত না করা হয়, তবে এতে স্থানীয় অর্থনীতি এবং সরকারের প্রতি আস্থায় গভীর ক্ষতি হবে।
এই বিষয়ে এখনও প্রশাসনিক বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এই ধরনের জমি সংক্রান্ত নিবন্ধন পরিবর্তন প্রায়শই কোনো সুরক্ষা অর্ডার বা নোটিশ ছাড়াই হয়ে যায়, যার ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশাইপলির বাসিন্দারা এখন দাবি করছেন যে, যে ব্যক্তিগত নিবন্ধন করা হয়েছে, সেটি বাতিল করতে হবে এবং জমিটি আবার সরকারি রেকর্ডে নিবন্ধিত করতে হবে। এই বিষয়টি রাজেন্না সিরসিলা জেলায় জিরোল্যান্ড এবং আর্থিক স্বচ্ছতার দাবির প্রেক্ষাপটে একটি অনন্য এবং আলোচিত ইস্যু হিসেবে浮ে উঠেছে।