প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সরকার ভারতকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা সমৃদ্ধি, জ্ঞান এবং শক্তির পাশাপাশি বিশ্বশান্তি ও মানবতার কল্যাণের প্রতিও নিবেদিত: প্রতিরক্ষামন্ত্রী
রক্ষামন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকারের লক্ষ্য ভারতকে সমৃদ্ধি, জ্ঞান ও শক্তিতে সমৃদ্ধ একটি বিশ্বশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং মানবতার কল্যাণের প্রতি নিবেদিত থাকবে।
Journalism India··1 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
ভারতীয় সংসদের দুই কক্ষের সম্মুখে আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপস্থাপনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কেবল প্রতিরক্ষামূলক নয়, বরং এটি সৃজনশীল এবং বিশ্বব্যাপী দায়িত্বকে অন্তর্ভুক্ত করে। তিনি জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃঢ় নেতৃত্বে ভারত সরকার এমন একটি জাতি গঠনে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ সমৃদ্ধি এবং আধুনিক জ্ঞান ব্যবস্থার অধিকারী হবে, বরং বিশ্বস্ত্তরেও শক্তিশালী হবে। মন্ত্রীদের মতে, এই শক্তির ব্যবহার কেবল স্বার্থপরতার জন্য নয়, বরং বিশ্বশান্তির রক্ষা এবং মানবতার সামগ্রিক কল্যাণের প্রতি নিবেদিত থাকার উদ্দেশ্যে করা হবে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাঁর ভাষণে বর্তমান জটিল বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভারতের ভূমিকা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন যে, গত কয়েক দশকে ভারত ঐতিহাসিক অগ্রগতি অর্জন করেছে, যার ফলে দেশটি এখন এমন একটি মঞ্চ, যেখানে প্রযুক্তিগত দক্ষতা, অর্থনৈতিক মজবুতি এবং সামরিক ক্ষমতার সমন্বয় দেখা যায়। এই ধরনের উন্নয়নের উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে, ভারত আন্তর্জাতিক মঞ্চে কেবল একজন দর্শক হিসেবে নয়, বরং একটি নির্ধারক এবং সিদ্ধান্তগত শক্তি হিসেবে উঠে আসবে। তাঁর যুক্তি ছিল যে, যখন একটি জাতি তার অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করে সমৃদ্ধি ও জ্ঞানের শিখরে পৌঁছায়, তখন তার বিশ্বব্যাপী দায়িত্বও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পায়।
সংসদীয় বৈঠকের সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, 'বিশ্বশান্তি' বলতে কেবল যুদ্ধের অনুপস্থিতি বোঝানো হয় না, বরং এটি এমন একটি পরিবেশ, যেখানে সহযোগিতা, সংলাপ এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ভারত এই প্রেক্ষাপটেই তার নীতিগুলো গড়ে তুলছে। মন্ত্রীদের স্পষ্ট করেছেন যে, সরকারের এই সংকল্প কেবল শব্দে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি কৌশলগত পরিকল্পনা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রতিফলিত হচ্ছে।
সূত্রগুলোর মতে, এই ভাষণের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল এই বার্তা দেওয়া যে, ভারতের শক্তির সম্প্রসারণ অন্য কোনো জাতির জন্য বিপদ নয়, বরং এটি আঞ্চলিক এবং বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতার জন্য একটি ইতিবাচক শক্তি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও জোর দিয়েছেন যে, জ্ঞানভিত্তিক আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা এই প্রক্রিয়ার ভিত্তি, যা ভারতকে তার নিরাপত্তা বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীন করছে। এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বারা প্রস্তাবিত 'উন্নত ভারত' স্বপ্নের ব্যাখ্যা করে, যেখানে জাতীয় শক্তি এবং মানবিক কল্যাণ পরস্পর পরিপূরক।
সংসদের সদস্যরা এই ঘোষণার বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেছেন, যেখানে কিছু মানুষ এটিকে ভারতের বাড়ন্ত আন্তর্জাতিক ছবির নিশ্চিতকরণ হিসেবে দেখেছেন, অন্যদিকে অন্যরা এতে উল্লেখিত বিশ্বব্যাপী দায়িত্বের বাস্তবিক দিকগুলোর ওপর প্রশ্ন তুলেছেন। তবে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এর উত্তরে বলেছেন যে, সরকার প্রতিটি পদক্ষেপে স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতার অনুভূতি বজায় রাখবে। এইভাবে, আজকের সংসদীয় অধিবেশন ভারতের ভবিষ্যতের কৌশলগত নির্দেশিকা স্পষ্ট করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে সমৃদ্ধি, জ্ঞান, শক্তি এবং মানবতার কল্যাণকে একই বাঁশের চারটি ফলকের আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।