আয়ুর্বেদ দিবসের উপলক্ষে মন্ত্রণালয় “স্বাস্থ্যকর আগামী দিনের জন্য আয়ুর্বেদ” থিমের অধীনে 11তম আয়ুর্বেদ দিবস উদযাপন করেছে।
আবাসন ও শহুরে কর্ম মন্ত্রণালয় আজ ১১তম আয়ুর্বেদ দিবস “স্বাস্থ্যকর আগামীকাল জন্য আয়ুর্বেদ” বিষয়ক আয়োজিত অনুষ্ঠানে আয়ুর্বেদের গুরুত্ব তুলে ধরেছে এবং এর বিস্তৃত ব্যবহার জন্য নতুন উদ্যোগের ঘোষণা করেছে।
Journalism India
··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
আবাস ও নগর কাজ মন্ত্রণালয় আজ জাতীয় স্তরে ১১তম আয়ুর্বেদ দিবস বড় উচ্ছ্বাসের সঙ্গে পালন করেছে। এই বছরের মূল বিষয় “স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যতের জন্য আয়ুর্বেদ” রাখা হয়েছে, যেখানে আয়ুর্বেদকে শুধুমাত্র রোগ চিকিৎসা নয়, ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা, আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ, গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা এবং বিভিন্ন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। তারা আয়ুর্বেদের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, আধুনিক চিকিৎসার সঙ্গে তার একীকরণ, এবং গ্রামীণ-নগর উভয় ক্ষেত্রেই এর প্রচার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
আয়ুর্বেদের প্রতি সচেতনতা বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয় বেশ কয়েকটি নতুন নীতির রূপরেখা উপস্থাপন করেছে। এর মধ্যে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা কেন্দ্রের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, নগর স্বাস্থ্য পরিকল্পনায় আয়ুর্বেদিক প্রোটোকল অন্তর্ভুক্তি, এবং যুব প্রজন্মের মধ্যে আয়ুর্বেদিক শিক্ষা উৎসাহিত করার জন্য স্কুল পাঠ্যক্রমে বিকল্প স্বাস্থ্য বিজ্ঞান যোগ করা অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, আয়ুর্বেদিক পণ্যের মানিকরণ ও গুণগত নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি জাতীয় স্তরের সার্টিফিকেশন সিস্টেম প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও ঘোষিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই উদ্যোগগুলো আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াবে এবং জনসংখ্যার স্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদী উন্নতি সম্ভব হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে আসন্ন বছরগুলোতে আয়ুর্বেদকে ডিজিটাল স্বাস্থ্য প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করে টেলিমেডিসিন সেবায় একীভূত করা হবে, যাতে দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষরাও প্রমাণিত আয়ুর্বেদিক পরামর্শ ও চিকিৎসা সহজে পেতে পারে। এই বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য শুধুমাত্র বর্তমান স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা নয়, ভবিষ্যতে একটি টেকসই, প্রাকৃতিক এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে গঠিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।