যুবকদের উন্নত ভারতের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে হবে এবং প্রতিটি কাজের কেন্দ্রে জাতি গঠনকে রাখতে হবে: ড. মনসুখ ম্যান্ডভিয়া
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. মনসুখ ম্যান্ডাভিয়া যুবকদের কাছে আবেদন করেছেন যে তারা আত্মনির্ভরশীল ও উন্নত ভারতের প্রচারের জন্য ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হন। তিনি আরও যুক্তি দিয়েছেন যে যুবকদের প্রতিটি কার্যকলাপ ও প্রতিটি কাজের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত জাতি গঠনের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া।
Journalism India··3 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
ভারতের তরুণ প্রজন্মকে দেশের উন্নয়নের গতি আরও বাড়ানোর জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করা উচিত, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডা. মানসুখ মান্দভিয়া এই মন্তব্য করেছেন। তিনি তরুণদের পরামর্শ দিয়েছেন যে, তারা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত লক্ষ্য অর্জনে নিয়োজিত থাকবেন না, বরং ‘উন্নত ভারত’-এর প্রতিশ্রুতির প্রচারের জন্য নিজেদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন। ডা. মান্দভিয়ার মতে, তরুণদের শক্তি ও উৎসাহ দেশের অগ্রগতির সবচেয়ে বড় সম্পদ, এবং এই সম্পদকে সঠিক দিকে ব্যবহার করলেই ভারত বিশ্বমঞ্চে নিজের গুরুত্ব আরও মজবুত করতে পারবে।
নিজের বক্তব্যে, ডা. মানসুখ মান্দভিয়া স্পষ্ট করেছেন যে, তরুণদের জীবনের প্রতিটি দিকের কেন্দ্রে রাষ্ট্রনির্মাণের চেতনা রাখা জরুরি। শিক্ষা, খেলাধুলা, শিল্প, উদ্যোক্তা বা সামাজিক সেবা—যেকোনো কাজের পেছনে এমন একটি বড় উদ্দেশ্য থাকতে হবে যা দেশের মূল্যবোধ ও উন্নয়নের সাথে যুক্ত। তিনি বলেছেন, যতক্ষণ তরুণরা অতিরিক্ত স্বার্থপর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসবেন না এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন না, ততক্ষণ দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি হয়। তাই, ছোট-বড় প্রতিটি কাজকে রাষ্ট্রনির্মাণের প্রক্রিয়া থেকে যুক্ত করা তাদের দায়িত্ব।
ডা. মান্দভিয়া আরও উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তি ও নবায়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জ্ঞানী, তবে তাদের এই জ্ঞানকে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যার সমাধানের জন্য ব্যবহার করতে হবে। তিনি তরুণদের আবেদন জানিয়েছেন যে, তারা ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর প্রতিশ্রুতিকে শুধুমাত্র একটি স্লোগান নয়, বরং একটি জীবনযাপন হিসেবে গ্রহণ করুক। এই প্রতিশ্রুতির আওতায়, তাদের এমন উদ্যোগ ও পদক্ষেপে অংশগ্রহণ করতে হবে যা দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
একই সাথে, তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। ডা. মান্দভিয়া বলেছেন, ভারতের শক্তি তার একতাবদ্ধতায় নিহিত, এবং তরুণদের কর্তব্য এই একতাবদ্ধতা বজায় রাখা। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে, তরুণদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে গিয়ে মানুষকে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে সচেতন করতে হবে এবং নিজেদেরকে এই পরিকল্পনার উপকারভোগী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
শেষে, ডা. মানসুখ মান্দভিয়া আশ্বস্ত করেছেন যে, সরকার তরুণদের প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেছেন, সরকারের সব নীতি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা-বৃত্তিকে উৎসাহিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তরুণদের এই সুবিধাগুলোর উপভোগ করতে হবে এবং দেশের অগ্রগতিতে নিজেদের সক্রিয় অবদান রাখতে হবে। ডা. মান্দভিয়ার মতে, যদি তরুণরা এই ভূমিকা পালন করেন, তবে ভারত ২০৪৭ সালের মধ্যে বিশ্বের সেরা দেশ হওয়ার নিজের লক্ষ্য সহজেই অর্জন করতে পারবে।