কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী শ্রী পিউষ গোয়াল তেলেঙ্গানা থেকে এফটিএর সর্বাধিক ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন
কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী শ্রী পিউষ গোয়াল টেলেঙ্গানার শিল্প থেকে আমদানি করা পণ্যের উপর ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) এর সুবিধাগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই পদক্ষেপটি রাজ্যের রপ্তানি ক্ষমতা বাড়াতে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতাকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।
Journalism India··0 ভিউ·3 মিনিট পড়ুন
কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী শ্রী পিযুষ গোয়েল আজ তেলেঙ্গানা শিল্প জগতের প্রতিনিধিদের সাথে সাক্ষাৎ করে এই বার্তা দেন যে, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) আওতায় উপলব্ধ সব সুবিধা সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগিয়ে রাজ্যের রপ্তানি ক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানো সম্ভব। এই অনুষ্ঠানের সময় মন্ত্রী তেলেঙ্গানাের প্রধান শিল্প খাতগুলোর, বিশেষ করে অটোমোবাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং টেক্সটাইল খাতের সাথে আলোচনা করেন।
মন্ত্রী গোয়েল জানান যে, এফটিএ-র আওতায় ভারত-যুক্তরাষ্ট্র, ভারত-ইইউ এবং ভারত-অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যিক চুক্তিগুলোতে আমদানি শুল্কের উল্লেখযোগ্য হ্রাস এবং কাস্টমস সহজীকরণের মতো সুবিধা পাওয়া যায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, তেলেঙ্গানাের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই সুবিধাগুলো ব্যবহার করে তাদের পণ্যগুলোকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে উপস্থাপন করা উচিত।
এছাড়া, মন্ত্রী তেলেঙ্গানা সরকারকে পরামর্শ দেন যে, রাজ্যের শিল্প নীতিতে এফটিএ-র বিধানগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। তিনি উল্লেখ করেন যে, এফটিএ-র আওতায় কিছু বিশেষ পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য বা কম ট্যারিফ প্রযোজ্য হয়, যা রপ্তানিকারকদের খরচে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় এনে দেয়। এই দিকে, তিনি তেলেঙ্গানা-কে পরামর্শ দেন যে, তারা তাদের রপ্তানিকারকদের এফটিএ-র আওতায় উপলব্ধ সুবিধাগুলোর বিষয়ে সচেতন করবে এবং তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের প্রক্রিয়ায় সহায়তা প্রদান করবে।
মন্ত্রী আরও জানান যে, এফটিএ-র আওতায় আসা কিছু পণ্যের জন্য কোটা বা পছন্দসই চিকিৎসা (পিটি) সুবিধা পাওয়া যায়, যা রপ্তানিকারকদের বাজারে আরও ভালো অবস্থান অর্জনে সাহায্য করে। তিনি বলেন যে, তেলেঙ্গানাের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর এই বিধানগুলোর সুবিধা নিতে রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় সনদপত্র এবং মানদণ্ড পূরণ করা আবশ্যক।
সাক্ষাৎকারের সময়, মন্ত্রী গোয়েল আরও উল্লেখ করেন যে, তেলেঙ্গানা সরকারকে এফটিএ-র আওতায় আসা পণ্যগুলোর জন্য একটি বিশেষ রপ্তানি কেন্দ্র স্থাপন করা উচিত, যেখানে রপ্তানিকারকদের প্রয়োজনীয় অনুমোদন, কাস্টমস এবং অন্যান্য প্রক্রিয়ায় সহায়তা পাওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্য সরকারকে রপ্তানিকারকদের এফটিএ-র সুবিধাগুলোর বিষয়ে নিয়মিত অবহিত রাখা উচিত।
মন্ত্রী আরও জানান যে, এফটিএ-র আওতায় আসা কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য ট্যারিফ প্রযোজ্য হয়, যা রপ্তানিকারকদের খরচে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় এনে দেয়। তিনি আরও বলেন যে, তেলেঙ্গানা-কে তাদের রপ্তানিকারকদের এফটিএ-র বিধানগুলোর আওতায় আসা পণ্যগুলোর বিষয়ে সচেতন করা উচিত।
মন্ত্রী তেলেঙ্গানা শিল্প জগতকে আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, এফটিএ-র আওতায় আসা পণ্যগুলোর ক্ষেত্রে ট্যারিফ হ্রাসের পাশাপাশি মানের মানদণ্ড এবং সনদপত্রেরও প্রয়োজন হয়। তিনি আরও বলেন যে, তেলেঙ্গানা-কে রপ্তানিকারকদের এই মানদণ্ড এবং সনদপত্রগুলোর জন্য সহায়তা প্রদান করা উচিত।
মন্ত্রী গোয়েল আরও উল্লেখ করেন যে, এফটিএ-র আওতায় আসা কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য ট্যারিফ প্রযোজ্য হয়, যা রপ্তানিকারকদের খরচে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় এনে দেয়। তিনি আরও বলেন যে, তেলেঙ্গানা-কে তাদের রপ্তানিকারকদের এফটিএ-র বিধানগুলোর আওতায় আসা পণ্যগুলোর বিষয়ে সচেতন করা উচিত।
মন্ত্রী আরও জানান যে, এফটিএ-র আওতায় আসা কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য ট্যারিফ প্রযোজ্য হয়, যা রপ্তানিকারকদের খরচে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় এনে দেয়। তিনি আরও বলেন যে, তেলেঙ্গানা-কে তাদের রপ্তানিকারকদের এফটিএ-র বিধানগুলোর আওতায় আসা পণ্যগুলোর বিষয়ে সচেতন করা উচিত।
এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে, মন্ত্রী গোয়েল তেলেঙ্গানাের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি অনুরোধ করেন যে, তারা এফটিএ-র বিধানগুলোর সর্বোচ্চ সুবিধা নিয়ে তাদের পণ্যগুলোকে বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে উপস্থাপন করবে। তিনি বলেন যে, এই পদক্ষেপটি তেলেঙ্গানাের রপ্তানি ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।