প্রধানমন্ত্রী ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে-কে তাঁর সরকার প্রধান হিসেবে ২৫ বছর পূরণের উপলক্ষে অভিনন্দন জানিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে-কে অভিনন্দন চিঠি পাঠিয়েছেন, যেখানে তিনি রাষ্ট্রীয় সেবায় ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মজবুত হওয়ার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী আজ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে-কে একটি বিশেষ অভিনন্দন চিঠি প্রদান করে তাঁর সম্মানজনক পদে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র সেবায় ২৫ বছর পূর্ণ করার উপলক্ষে তাঁর প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে-র দীর্ঘকালীন সেবার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২৫ বছর একটি নির্দিষ্ট সময়কাল নয়, বরং এটি একটি সময়রেখা যা কোনো ধর্মনিরপেক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতিফলনের প্রতীক, যা ভুটানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক অগ্রগতিতে গভীর অবদান রেখেছে।
প্রধানমন্ত্রী এই উপলক্ষে ভারত ও ভুটানের মধ্যে প্রাচীন ও মজবুত বন্ধনেরও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক নয়, বরং এই সম্পর্ক সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক ও চিরস্থায়ী বন্ধুত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত। শেরিং তোবগে-র নেতৃত্বে ভুটান অঞ্চলীয় শান্তি ও স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যা ভারত সবসময় সমর্থন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন যে, ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর ২৫ বছরের অবিচ্ছিন্ন সেবা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে, আসন্ন বছরগুলোতেও ভারত ভুটানের সাথে একত্রিত হয়ে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও অঞ্চলীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে নিজের প্রচেষ্টা তীব্র করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের সরকারগুলো অনেক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়িয়েছে, যার মধ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন, শক্তি নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ অন্তর্ভুক্ত। প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে-কে অনুরোধ করেছেন যে, তিনি ভবিষ্যতেও দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগী সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করতে থাকুন।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে-র এই ২৫ বছরের সেবা কাল একটি ইঙ্গিত দেয় যে, একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক ব্যবস্থা কীভাবে দেশের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হতে পারে। ভারত সরকার এই উপলক্ষে ভুটানের মানুষকেও অভিনন্দন জানিয়েছে, যারা তাঁদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। এই অভিনন্দন চিঠিটি দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সম্মানের একটি নতুন অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা অঞ্চলীয় অংশীদারিত্বকে আরও মজবুত করবে। প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপে স্পষ্ট হয়েছে যে, ভারত ভুটানের সাথে নিজের বন্ধুত্ব আগামী দশকগুলো পর্যন্ত বজায় রাখতে এবং গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।