কেন্দ্রীয় নারকোটিক্স ব্যুরো (সিবিএন) মিশন যুব রক্ষা প্রকল্পের আওতায় মধ্যপ্রদেশের যুবকদের মধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পাঁচটি সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজন করেছে
কেন্দ্রীয় নারকোটিক্স ব্যুরো (সিবিএন)-এর ‘মিশন যুব রক্ষা’ অভিযানের আওতায় মধ্যপ্রদেশের যুবকদের নেশার মারাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষা করতে এবং সমাজের এই গুরুতর সমস্যার বিরুদ্ধে তাদের সক্ষম করতে পাঁচটি বিশেষ সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
মধ্যপ্রদেশের যুব সমাজকে মাদকদ্রব্যের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য কেন্দ্রীয় নরকোটিক্স ব্যুরো (CBN) একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে ‘মিশন যুব রক্ষা’ নামে বিশেষ প্রচারণার আওতায় রাজ্যের বিভিন্ন অংশে পাঁচটি সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচিগুলোর মূল উদ্দেশ্য হল যুবকদের মধ্যে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া এবং তাদেরকে এই প্রবণতা থেকে মুক্ত রাখা।
CBN কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে আজকের সময়ে মাদকদ্রব্যের প্রভাব কেবল আসক্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি যুব প্রজন্মের সমগ্র ভবিষ্যৎকে সংকটে ফেলছে। এই সত্যকে মাথায় রেখে, এই প্রচারণা বিশেষভাবে সেই যুবকদের লক্ষ্য করে যাঁরা এই পৃথিবী থেকে অজানা এবং যাঁদেরকে ভুল পথে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। আয়োজিত পাঁচটি কর্মসূচিতে বক্তৃতা, কুইজ এবং ইন্টারেক্টিভ সেশনের মাধ্যমে যুবকদের জানানো হয়েছে যে মাদকদ্রব্যের সেবন কেবল তাঁদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যকে ক্ষতি করে না, বরং তাঁদের ক্যারিয়ার এবং সামাজিক সম্মানকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞ ও ব্যুরোর কর্মকর্তারা যুবকদের কাছে আবেদন করেছেন যে তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব বুঝে এমন লোকদের থেকে দূরে থাকুন যারা তাঁদেরকে মাদকদ্রব্যের দিকে প্ররোচিত করে। তাঁরা বলেছেন যে ‘মিশন যুব রক্ষা’ কেবল একটি সরকারি উদ্যোগ নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলন যেখানে যুবকদের নিজেদের শক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়ক হতে হবে। মধ্যপ্রদেশের বিস্তৃত প্রদেশগুলোতে আয়োজিত এই সেশনগুলো যুবকদের মধ্যে অনেক প্রতিক্রিয়া জাগিয়েছে, যেখানে অনেকেই প্রতিজ্ঞা করেছেন যে তাঁরা কেবল নিজেদের বাঁচবেন না, বরং তাঁদের সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদেরও এই হুমকি থেকে সতর্ক করবেন।
CBN-এর প্রধান কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এই উদ্যোগটি সাময়িক সৌন্দর্য নয়, বরং এটি স্থায়ীভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে। ভবিষ্যতে মধ্যপ্রদেশের অন্যান্য জেলা গুলিতেও একই ধরনের সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজন করা হবে যাতে প্রতিটি কোণায় এই বার্তা পৌঁছাতে পারে। কর্মকর্তাদের মতে শিক্ষা ও সঠিক নির্দেশনা হল মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র। যদি যুব সমাজ সচেতন থাকে, তবে সরকারকে এই সমস্যার সমাধানের জন্য আরও সম্পদ ও কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে না। এই প্রচারণার মাধ্যমে এই বার্তা স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে যে যুবই জাতির মেরুদণ্ড এবং তাঁদের রক্ষার দায়িত্ব প্রত্যেকের উপর, বিশেষ করে যারা এই প্রচারণার অংশ।