মাই ভারত' এর ‘বিকশিত ভারত যুব সংলাপ: আপনার ভোট জানুন’ প্রচারণায় ১৬টি রাজ্য/কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিতে আয়োজিত ৬২টি ইভেন্টের মাধ্যমে ১১,০০০ এর বেশি যুবক যুক্ত হয়েছে
'মাই ভারত' দ্বারা পরিচালিত 'উন্নত ভারত যুব সংলাপ: আপনার ভোট জানুন' প্রচারণার আওতায় দেশব্যাপী ১৬ রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলোতে মোট ৬২টি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১,০০০ এরও বেশি যুবক সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
১ নভেম্বর, ২০২৬-এ সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলো নিশ্চিত করেছে যে 'মাই ইন্ডিয়া' (My India) দ্বারা শুরু করা 'ডেভেলপড ইন্ডিয়া ইয়ুথ ডায়ালগ: নিজের ভোটকে চিনুন' (Developed India Youth Dialogue: Know Your Vote) নামক জাতীয় পর্যায়ে পরিচালিত এই প্রজ্ঞাযুক্ত অভিযানটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এই অভিযানটির মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের তরুণ প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, বিশেষ করে ভোটের গুরুত্ব এবং দায়বদ্ধতার বিষয়ে সচেতন করা। এই উদ্যোগের আওতায় দেশের ১৬টি ভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মোট ৬২টি বিস্তারিত ও ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১,০০০-এরও বেশি তরুণ নাগরিকরা উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন।
'মাই ইন্ডিয়া'-র কর্মকর্তাদের মতে, এই অভিযানের মূল যুক্তি ছিল যে একটি উন্নত ভারতের স্বীকৃতি কেবল অর্থনৈতিক বা অবকাঠামোগত অগ্রগতি থেকে নয়, বরং তার নাগরিকদের রাজনৈতিক সচেতনতা এবং নিবেদিত গণতন্ত্রের দৃঢ় ভিত্তি থেকে নির্ধারিত হয়। 'নিজের ভোটকে চিনুন' শিরোনামের অধীনে আয়োজিত এই কর্মসূচিগুলোতে তরুণদের ভোটের প্রক্রিয়া, তাদের অধিকারের বোঝাপড়া এবং নির্বাচনী এলাকার স্থানীয় সমস্যাসম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে গভীর আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিটি কর্মসূচিতে বিশেষজ্ঞ, পণ্ডিত এবং সামাজিক কর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যারা তরুণদের মধ্যে গণতন্ত্রের মূল্যবোধগুলো সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেছিলেন। আয়োজকরা বিশেষভাবে জোর দিয়েছিলেন যে তরুণ জনসংখ্যা ভারতীয় গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং তাদের বুঝতে হবে যে একটি ভোটের সরাসরি প্রভাব তাদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের দিকনির্দেশনাতে পড়ে। এই ৬২টি কর্মসূচির মাধ্যমে কেবল সংখ্যাসূচকভাবে বড় সংখ্যক তরুণ যুক্ত হননি, বরং তাদের মধ্যে রাজনৈতিক অনুভূতি এবং নাগরিক দায়বদ্ধতার গভীর আলোচনাও হয়েছিল।
'মাই ইন্ডিয়া'-র মুখপাত্র জানিয়েছেন যে এই অভিযানটি একবারের ঘটনা নয়, বরং এটি একটি নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা, যাতে তরুণদের ধাপে ধাপে প্রতিষ্ঠানগত প্রক্রিয়াগুলির সাথে যুক্ত করা যায়। ১১,০০০-এরও বেশি তরুণের অংশগ্রহণ এই বিষয়ের প্রমাণ প্রদান করেছে যে দেশের তরুণ শ্রেণির মধ্যে সচেতনতার মাত্রা দ্রুত বেড়েছে এবং তারা তাদের অধিকার ও কর্তব্যের প্রতি আরও দায়বদ্ধ হচ্ছে।
এই কর্মসূচিগুলির সময় তরুণরা তাদের প্রশ্নগুলোর উত্তরও পেয়েছেন এবং গণতন্ত্রের সর্বোত্তম দিকগুলো বোঝার সুযোগ পেয়েছেন। 'ডেভেলপড ইন্ডিয়া'-র ধারণার সাথে সামঞ্জস্য রেখে, এই অভিযানটি কেবল একটি শিক্ষামূলক উদ্যোগ ছিল না, বরং এটি একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবেও আবির্ভূত হয়েছে, যা তরুণদের একে অপরের সাথে যুক্ত হতে এবং সম্মিলিতভাবে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আগামী দিনে 'মাই ইন্ডিয়া' এই প্রবণতা অব্যাহত রাখতে আরও বেশি রাজ্যে এমন আলোচনামূলক মঞ্চের আয়োজন করার পরিকল্পনা করছে, যাতে 'ডেভেলপড ইন্ডিয়া'-র আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য তরুণ প্রজন্মকে ক্ষমতায়ন করা যায়।