প্রধানমন্ত্রী নবরাত্রিতে মা মহাগৌরীর পূজা-অর্চনা করেছেন
প্রধানমন্ত্রী নবরাত্রির উপলক্ষে মা মহাগৌরীর বিধিবদ্ধ পূজা-আর্চনা করেন, যার সময় তিনি দেবীর নমস্কার করে সনাতন ধর্মের ঐতিহ্যের পালন করেন।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬-এ, নবনাত্রি উৎসবের তৃতীয় দিনে, প্রধানমন্ত্রী মা মহাগৌরী-র কঠোর তপস্যা ও পবিত্রতার প্রতীক দেবীকে পূজা-অর্পণ করেন। এই পবিত্র দিন হিন্দু ক্যালেন্ডারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হয়, যেখানে ভক্ত মা দুর্গার তৃতীয় রূপ মহাগৌরীকে সন্তুষ্ট করার জন্য বিশেষ আরাধনা করেন। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সম্পন্ন এই পূজা দেশব্যাপী হিন্দুদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আধ্যাত্মিক শক্তির পরিবেশ সৃষ্টির কাজ করছে।
পূজা-অর্পণের সময়, প্রধানমন্ত্রী বিধিবদ্ধ আরতি জ্বালিয়ে মা মহাগৌরীর পায়ে নত হন। স্বীকৃতি আছে যে মা মহাগৌরী শত শত বছর ধরে কঠোর তপস্যা করেছিলেন, যার ফলে তাঁর রঙ সাদা হয়ে গিয়েছিল, যা পবিত্রতা ও শুদ্ধতার প্রতীক হিসেবে গণ্য হয়। তাই, এই দিনে ভক্তদের সাদা পোশাক পরিধান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীও এই পবিত্র মুহূর্তে ঐ প্রথা মেনে সাদা রঙের পোশাক পরিধান করে দেখা গিয়েছেন।
এই পূজা-অর্পণের প্রাথমিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ অনুরাগী ও নাগরিকেরা এর প্রশংসা করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে নবনাত্রির আন্তরিক শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন। অনেক অনুরাগী টুইটার ও অন্যান্য প্রধান সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন যে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সম্পন্ন এই পূজা কেবল ধর্মীয় অনুভূতি প্রকাশ করে না, বরং সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি তাঁর সমর্পণও প্রদর্শন করে।
নবনাত্রির নয় দিন ধরে, প্রতিদিন মা দুর্গার একেকটি রূপের পূজা করা হয়। প্রথম দিন মা শাইলপুতরি, দ্বিতীয় দিন মা ব্রহ্মচারিণী, এবং তৃতীয় দিন মা মহাগৌরীর পূজা হয়। চতুর্থ দিন মা কালরাত্রি, পঞ্চম দিন মা স্কন্দমাতা, ষষ্ঠ দিন মা কৃষ্ণা, সপ্তম দিন মা দুর্গা, অষ্টম দিন মা সিদ্ধিদাত্রী, এবং নবম দিন মা সৌম্যার পূজা হয়। এই বছর, নবনাত্রি উৎসব দেশব্যাপী মহিমা সহকারে উদযাপিত হচ্ছে, এবং বহু প্রধান মন্দিরে বিশেষ আচার-অনুষ্ঠান ও বিধিবদ্ধ পূজা-অর্পণ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সম্পন্ন এই পূজা-অর্পণ কেবল একটি ধর্মীয় কাজ নয়, বরং এটি দেশবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে শক্তিশালী করার একটি প্রচেষ্টা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কাজের ফলে জনগণের মধ্যে বিশ্বাস ও আস্থার পরিবেশ বজায় থাকে। আসন্ন দিনগুলোতে, যেমন নবনাত্রি উৎসব এগিয়ে যাবে, অন্যান্য দিনের দেবীগুলোর পূজাও একইভাবে করা হবে, যাতে পুরো দেশ এই পবিত্র মুহূর্তের আনন্দে নিমগ্ন থাকে।