রাষ্ট্রপতি সকলকে দুর্গাপূজায় আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, যেখানে তিনি অন্ধবিশ্বাস থেকে দূরে থেকে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
গুরুবৃহস্পতিবার, অর্থাৎ 19 অক্টোবর 2026, ভারতীয় রাষ্ট্রপতি দেশবাসীদের দুর্গা পূজার পর্বে তাঁর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একটি বিশেষ বিবৃতি জারি করে, তিনি এই ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় সুযোগে জাতির প্রতিটি কোণে বসবাসরত নাগরিকদের জন্য প্রার্থনা করেছেন। রাষ্ট্রপতি মহোদয়া এই পর্বের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন যে দেবী দুর্গার চল্লিশ দিনের উপবাস ও পূজার এই অনুষ্ঠান কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক সমন্বয় ও সামাজিক ঐক্যের প্রতীকও।
নিজের বার্তায়, রাষ্ট্রপতি সকলকে আবেদন করেছেন যে তারা এই বছর দুর্গা পূজাকে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতির পাশাপাশি সৎ অভ্যাস ও পরিবেশ রক্ষার সংকল্প নিয়ে উদযাপন করুন। তিনি বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলেছেন যে পূজা-পাঠের সময় অন্ধবিশ্বাস ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের অভ্যাস থেকে বিরত থাকা উচিত। বরং, এই সুযোগকে একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখা উচিত যাতে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে এবং মানুষের মধ্যে সংযম, সেবা মনোভাব ও জাতি প্রেমের অনুভূতি জাগে।
রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন যে দুর্গা পূজার এই পর্ব বিশেষভাবে পূর্ণিমা তারিখের সাথে যুক্ত, যা আলোকে অন্ধকারের উপর বিজয় হিসেবে বোঝা হয়। তিনি বলেছেন যে যেমন দেবী দুর্গা রাক্ষসদের ধ্বংস করে সত্য ও ধর্মের রক্ষা করেছেন, তেমনি আজকের যুগে আমাদেরও দেশের ভিতরে ও বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে পরিষ্কার চিন্তা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। তিনি সকল নাগরিককে পরামর্শ দিয়েছেন যে তারা এই পর্বকে তাদের পরিবার, বন্ধু ও প্রতিবেশীদের সাথে মিলিয়ে উদযাপন করুন, যাতে সমাজে প্রেম ও ভাইচারা অনুভূতি আরও শক্তিশালী হয়।
নিজের বার্তার শেষে, রাষ্ট্রপতি পুরো জাতির অগ্রগতি, সমৃদ্ধি ও শান্তির কামনা করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে এই দিভ্য সুযোগের অনুপ্রেরণায় ভারতীয় জনগণ নিজ নিজ ক্ষেত্রে উন্নত কাজ করতে পারবে এবং দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবে। তিনি সকলকে অনুরোধ করেছেন যে তারা এই পর্বকে ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গৌরবময় স্মৃতির সাথে উদযাপন করুন, যাতে আগত প্রজন্মের জন্য এটি একটি অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ হয়ে থাকে। এভাবে, রাষ্ট্রপতির এই শুভেচ্ছা কেবল ধর্মীয় সম্মানের প্রতীক নয়, বরং জাতি গঠনের দিশায় একটি শক্তিশালী বার্তাও।