প্রধানমন্ত্রী রবি কার্তিক বুদিগিনাকে এশিয়ান প্যারা গেমসে রৌপ্য পদক জেতার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন
প্রধানমন্ত্রী রবি কার্তিক বুদিগিনাকে এশিয়ান প্যারা গেমসে রৌপ্য পদক জয়ের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং এই সাফল্যকে দেশের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে গণ্য করেছেন।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ এশিয়ান প্যারাগেমসে রূপা পদক জয়ী ভারতীয় দৌড়বিদ রবি কার্তিক বুদিগিনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই শুভেচ্ছা অনুষ্ঠান বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী বুদিগিনার সাথে মিলিত হয়ে তার সাফল্য উদযাপন করেন।
রবি কার্তিক বুদিগিনা, যিনি ২০ বছর বয়সী, ২০২৬ সালের এশিয়ান প্যারাগেমসে ১০০ মিটার শোর্ট ডিস্ট্যান্সে রূপা পদক জিতেছেন। এই জয় তার জন্য একটি নতুন মাইলফলক, কারণ তিনি এর আগে জাতীয় পর্যায়ে বহু প্রতিযোগিতায় পদক জিতেছেন। বুদিগিনা তার পিতা, শ্রী সুধীপ্ত বুদিগিনার সহায়তায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, এবং তিনি স্বপ্ন পূরণে অবিরাম কঠোর পরিশ্রম করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, “রবি কার্তিক বুদিগিনা, তোমার এই সাফল্যের জন্য আমি তোমাকে অভিনন্দন জানাই। তুমি কেবল তোমার পরিশ্রম ও দৃঢ় সংকল্প দিয়ে আমাদের গর্বিত করেছো না, বরং দেশটির জন্যও একটি অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছো। তুমি দেখিয়েছো যে যেকোন পরিস্থিতিতে স্বপ্ন সত্য হতে পারে।”
বুদিগিনা তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “ধন্যবাদ, মহাশয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার এই প্রশংসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি এই পদকটি আমার পরিবার, কোচ এবং সকল সমর্থকদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছি। আমি ভবিষ্যতেও আমার খেলায় উন্নতি করব এবং দেশটির জন্য আরও গর্বের কারণ হব।”
এই অনুষ্ঠানের সময়, প্রধানমন্ত্রী বুদিগিনার পরিবার সদস্যদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে উৎসাহিত করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে সরকার প্যারাগেমসের খেলোয়াড়দের জন্য উন্নত সুবিধা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ব্যবস্থা করবে যাতে আরও তরুণ খেলোয়াড় তাদের ক্ষমতা প্রকাশ করতে পারে।
রবি কার্তিক বুদিগিনার এই রূপা পদক ভারতীয় প্যারাস্পোর্টের মর্যাদা বাড়িয়েছে। এই জয়ের সাথে, ভারত এশিয়ান প্যারাগেমসে মোট ২৩টি পদক জিতেছে, যার মধ্যে ৮টি স্বর্ণ, ৯টি রূপা এবং ৬টি ব্রোঞ্জ পদক অন্তর্ভুক্ত। এই সংখ্যাগুলি ভারতীয় প্যারাস্পোর্টে ধারাবাহিক উন্নয়নকে প্রতিফলিত করে।
প্রধানমন্ত্রী এই উপলক্ষে আরও বলেছেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো যে প্রতিটি তরুণ, সে শারীরিকভাবে সক্ষম হোক বা অক্ষম, সমান সুযোগ পায়। আমরা খেলায় অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে নতুন নীতি প্রয়োগ করব।”
রবি কার্তিক বুদিগিনার সাফল্য সমাজে প্যারাস্পোর্টের প্রতি সচেতনতা বাড়িয়েছে। তার গল্প থেকে স্পষ্ট হয় যে কষ্ট আমাদের থামাতে পারে না, বরং সেগুলো অতিক্রম করতে আমাদের আরও প্রচেষ্টা করতে হবে।
এইভাবে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা ও সমর্থনে রবি কার্তিক বুদিগিনা ও অন্যান্য প্যারাস্পোর্টের খেলোয়াড়দের জন্য একটি নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে খেলা কেবল প্রতিযোগিতা নয়, বরং সমাজে সমতা ও অন্তর্ভুক্তির বার্তাও বহন করে।