ভারতের রাষ্ট্রপতি চত্তীসগড়ের জগদলপুরে বস্তর দশেরা উপলক্ষে একটি জনসভায় অংশ নেন
চাঁদীশগড়ের জগদালপুরে বসতর অঞ্চলের বিখ্যাত দশহরা উৎসবের সময় ভারতের রাষ্ট্রপতি একটি বৃহৎ পরিসরের জনসাধারণের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, যেখানে তিনি স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়গুলোর সাথে মিলিত হয়ে সংস্কৃতি ও ঐক্য প্রদর্শন করেন।
Journalism India··1 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ, ভারতের রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের চত্তিশগড়ের বস্তর অঞ্চলে ঐতিহাসিক সফর অব্যাহত ছিল। এই উপলক্ষে, রাষ্ট্রপতি মহোদয়া জগদলপুরে আয়োজিত একটি বিশাল জনসভায় অংশ নেন, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল অঞ্চলের স্বতন্ত্র দশাহা প্রথাগুলিকে উৎসর্গ করা। এই অনুষ্ঠানটি কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব ছিল না, বরং এটি স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং সামাজিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
জগদলপুরের প্রধান মাঠে জড়ো শ্রোতারা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা রাষ্ট্রপতি মহোদয়কে উষ্ণভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানের সময়, বস্তরের বিখ্যাত 'বস্তর দশাহা'-র অনন্য রূপের প্রদর্শন করা হয়, যাতে জনপ্রিয় লোকগান, নৃত্য এবং ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা অন্তর্ভুক্ত ছিল। রাষ্ট্রপতি মহোদয়া এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনগুলিকে বিশেষ মনোযোগের সাথে পর্যবেক্ষণ করেন এবং অঞ্চলের শিল্পীদের দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বস্তরের দশাহার এই অনন্য রূপ ভারতীয় সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের একটি সমৃদ্ধ অংশ, যা ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে নম্রতা এবং গর্বের সাথে সংরক্ষণ করা উচিত।
এই জনসভায়, রাষ্ট্রপতি মহোদয়া স্থানীয় গ্রামবাসী, নারী এবং যুবকদের সাথে সরাসরি সংলাপও করেন। তিনি অঞ্চলের উন্নয়ন, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য সেবায় অর্জিত প্রভাবশালী অগ্রগতির পর্যালোচনা করেন। বস্তর অঞ্চলে আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য করা উদ্যোগগুলির প্রতি তার বিশেষ মনোযোগ ছিল। তিনি স্থানীয় মানুষদের উৎসাহিত করেন যাতে তারা তাদের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা এবং দক্ষতাকে আধুনিক চ্যালেঞ্জগুলির সাথে সমন্বিত করে এগিয়ে যান, তাদের মূল পরিচয় হারানো ছাড়াই।
অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে, রাষ্ট্রপতি মহোদয়া একটি বার্তা প্রদান করেন, যেখানে তিনি জাতীয় ঐক্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর জোর দেন। তিনি বলেন যে, যেমন বস্তরের দশাহা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের একত্রে উদযাপনের প্রতীক, তেমনি ভারতের শক্তি বৈচিত্র্যে ঐক্য থেকে আসে। জগদলপুরের বাসিন্দারা এই বার্তাটি গ্রহণ করে আনন্দ এবং উৎসাহ প্রকাশ করেন। এই সফরটি কেবল একটি প্রতীকী ঘটনা ছিল না, বরং এটি কেন্দ্রীয় সরকারের চত্তিশগড়ের পাহাড়ি এবং বন্য অঞ্চলের উন্নয়নের প্রতি দৃঢ় সংকল্পকেও তুলে ধরেছে। রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বস্তরের মানুষের মধ্যে গর্ব এবং অনুপ্রেরণার ঢেউ তুলে দিয়েছে, যা অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জাতীয় মঞ্চে উপস্থাপনের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।