গুজরাটের সম্মানিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র পটেল ভারতের শিল্প ঐতিহ্যু, সৃজনশীলতা এবং আধুনিক ডিজাইনকে উৎসর্গীকৃত CHHAAP@Sabarmati 2026-এর উদ্বোধন করেছেন
গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল সাবরমতী নদীর তীরে অনুষ্ঠিত 'ছাপ@সাবরমতী ২০২৬'-এর উদ্বোধনের সৌভাগ্য প্রাপ্ত হয়েছেন, যার উদ্দেশ্য হলো ভারতের শিল্প ঐতিহ্যু, সৃজনশীলতা এবং আধুনিক নকশা প্রদর্শন করা।
Journalism India··2 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
গুজরাট রাজ্যে শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখটি একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যখন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল 'ছাপ@সাবরমতী ২০২৬'-এর উদ্বোধন করেন। এই উৎসবটি কেবল একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি ভারতের শতাব্দী পুরনো হস্তশিল্প ঐতিহ্যু, গভীর সৃজনশীলতা এবং সর্বশেষ আধুনিক ডিজাইনকে একত্রিত করার একটি বিশাল উদ্যোগ। সাবরমতী নদীর তীরে অবস্থিত এই বিশাল মেলাটির উদ্বোধনকালে মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন যে এমন কোনো খাত নেই যেখানে হস্তশিল্প এবং আধুনিকতার মিলন ঘটা সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন যে এই অনুষ্ঠান দেশের শিল্পী এবং কারিগরদের এমন একটি মঞ্চ প্রদান করে, যেখানে তারা তাদের প্রতিভা বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন এবং এর জন্য যথাযথ সম্মান পাবেন।
'ছাপ@সাবরমতী ২০২৬'-এর আয়োজন কেবল পর্যটকদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্র হওয়ায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি স্থানীয় কারিগরদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য একটি বড় সুযোগ। এই মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিল্পীদের তৈরি বিভিন্ন ধরনের পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে, যার মধ্যে কিছু প্রচলিত কৌশল যেমন ছাপা, বুনন এবং মৃৎশিল্পের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, অন্যদিকে কিছু আধুনিক ডিজাইন এবং ইন্টেরিয়র আর্টের সাথে যুক্ত। এই উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল বলেছেন যে গুজরাট সর্বদা হস্তশিল্পের একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এবং এর সংরক্ষণ এখন আমাদের দায়িত্ব। তিনি সরকারের পক্ষ থেকে কারিগরদের সমর্থনে নেওয়া কার্যকর পদক্ষেপগুলোরও উল্লেখ করেছেন, যার লক্ষ্য এই প্রচলিত শিল্পগুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে স্থাপন করা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রচুর সংখ্যক সাধারণ নাগরিক, পর্যটক এবং শিল্পপ্রেমীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সাবরমতী ঘাটের আশেপাশে আঁকা এই দৃশ্যটি কেবল সৌন্দর্যের ইঙ্গিত দেয় না, বরং এটি প্রমাণ করে যে ঐতিহ্যু এবং অগ্রগতি একসাথে চলতে পারে। আয়োজকদের মতে, 'ছাপ@সাবরমতী ২০২৬'-এর সময়কালে বিভিন্ন কর্মশালা, আলোচনা এবং প্রদর্শনীও আয়োজন করা হবে, যেখানে বিদ্বান এবং ডিজাইনাররা হস্তশিল্পের ভবিষ্যত নিয়ে গভীর আলোচনা করবেন। মুখ্যমন্ত্রী সকল শিল্পীদের একটি বার্তা দিয়ে বলেছেন যে তাদের পরিশ্রমই এই দেশের পরিচয় এবং সরকার তাদের সম্ভাব্য সব সাহায্যের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই অনুষ্ঠানটি কেবল একটি উৎসব নয়, বরং এটি একটি বার্তা যে ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যুকে আধুনিক প্রেক্ষাপটে সজীব রাখা সম্ভব। শেষে, মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত সকলকে এই উৎসব উপভোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং আয়োজক কমিটিকে এই অনুষ্ঠানের সফল পরিচালনার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।