রক্ষা রাজ্য মন্ত্রী শ্রী সঞ্জয় সেথ দেশের স্বদেশী প্রতিরক্ষা ক্ষমতা এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব প্রদর্শনকারী বিশ্ব‑২০২৬ (VSV‑2026) এর উদ্বোধন করবেন
রক্ষা রাজ্যমন্ত্রী শ্রী সঞ্জয় সেঠ বিশ্ব-২০২৬ (ভাইএসভি-২০২৬) উদ্বোধন করেছেন, যাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় রক্ষা ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সম্মাননা জানানো হয়েছে এবং ভারতের দেশীয় রক্ষা ক্ষমতা ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব প্রদর্শনের উদ্দেশ্য পূরণ করা হয়েছে।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
২৯ অক্টোবর, ২০২৬-কে প্রতিরক্ষা খাতের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী শ্রী সঞ্জয় সেঠ 'ভিশ্ব-২০২৬'-এর (যা ইংরেজিতে 'ভাইএসভি-২০২৬' নামেও পরিচিত) প্রধান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেছেন। এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র দেশের স্বনির্ভর প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বিশ্বের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যম নয়, বরং এটি বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপও। এই অনুষ্ঠানে দেশের প্রধান প্রতিরক্ষা শিল্প, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ পনোপ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে শ্রী সঞ্জয় সেঠ তাঁর ভাষণে ভারতের 'মেক ইন ইন্ডিয়া' এবং 'মেড ইন ইন্ডিয়া' উদ্যোগের আওতায় প্রতিরক্ষা খাতে অর্জিত অগ্রগতিতে আলোকপাত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, গত কয়েক বছরে দেশটি তার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে দেশি প্রযুক্তিকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিষ্ঠানগত কাঠামো শক্তিশালী করেছে। এর ফলে শুধুমাত্র দেশের প্রতিরক্ষা প্রয়োজন স্বাধীনভাবে পূরণ করা হচ্ছে না, বরং প্রতিরক্ষা রপ্তানিতেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। শ্রী সেঠ ভারতের যানবাহন শিল্প সংঘ (ভাইএসভি)-এর অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেছেন, যারা এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মটি সফলভাবে আয়োজনে বড় ভূমিকা পালন করেছে।
'ভিশ্ব-২০২৬'-এর আয়োজন এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে যে, আধুনিক যুদ্ধাভ্যাস শুধুমাত্র অস্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এতে ডিজিটাল প্রযুক্তি, ড্রোন সিস্টেম এবং উন্নত লজিস্টিক্সেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই কারণেই, এই অনুষ্ঠানের সময় দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ এবং ইঞ্জিনিয়াররা তাদের সর্বশেষ উদ্ভাবন প্রদর্শন করেছেন। এর মধ্যে দেশিভাবে উন্নীত যুদ্ধযান, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং নৌবাহিনীর জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা সরঞ্জাম রয়েছে। শ্রী সেঠ বলেছেন যে, এই সরঞ্জামগুলোর মান এবং নির্ভরযোগ্যতা এখন বৈশ্বিক মানদণ্ডের সাথে সমান প্রতিযোগিতা করছে, যা ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের একটি বড় অর্জন।
বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের প্রেক্ষাপটে, মন্ত্রী বিদেশি প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনার প্রশংসা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, ভারত এখন শুধুমাত্র একটি ভোক্তা নয়, বরং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির একটি প্রধান রপ্তানিকারক হিসেবে উঠে আসছে। এই অনুষ্ঠানের সময় অনেক দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলো ভারতের সাথে সহযোগিতার জন্য নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তিগুলোর আওতায় যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং যৌথ উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
অনুষ্ঠানের শেষে, শ্রী সঞ্জয় সেঠ উপস্থিত সকল প্রতিরক্ষা পেশাদার, সেনাবাহিনীর সৈন্য এবং প্রযুক্তিগত দলগুলোর পরিশ্রম এবং নিবেদনের প্রশংসা করে বলেছেন যে, ভারতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য স্লোকের প্রয়োজন। তিনি আরও বলেছেন যে, 'ভিশ্ব-২০২৬'-এর এই সংস্করণ ভবিষ্যতের প্রতিরক্ষা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য একটি দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করছে। এই উদ্যোগটি প্রমাণ করেছে যে, ভারত তার প্রতিরক্ষা ক্ষমতায় স্বাধীনতার পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যায়ে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত।