এমএসডিই সকল সিপিএসইকে ফলাফল ও অন্তর্ভুক্তির উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে অ্যাপ্রেন্টিসশিপ সম্পর্কিত সম্পৃক্ততা দ্রুততর করার আহ্বান জানিয়েছে
এমএসডিই সমস্ত পাবলিক সেক্টর উদ্যোগ (সিপিএসই)কে অ্যাপ্রেন্টিসশিপ প্রক্রিয়া দ্রুততর করার এবং চাকরির ফলাফল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবসা ব্যবস্থার উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছে, যার লক্ষ্য তরুণদের জন্য উন্নত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে অ্যাপ্রেন্টিশিপ প্রোগ্রাম একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম হিসেবে উঠে আসছে। এই বিষয়ে আলোকপাত করে, এমএসডিই সম্প্রতি সমস্ত সিপিএসই (সরকারি খাতের উদ্যোগ) কে আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা অ্যাপ্রেন্টিশিপ সংক্রান্ত সম্পৃক্ততায় গুরুত্বপূর্ণ ত্বরণ আনে। এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র শ্রমশক্তির ঘাটতি পূরণের জন্য নয়, বরং তরুণদের পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ প্রদানের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এমএসডিই-এর এই আহ্বানে মূলত দুটি দিকের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিকটি হলো 'ফলাফলের ওপর ফোকাস করা'। এর অর্থ হলো, সিপিএসই-গুলোর তাদের অ্যাপ্রেন্টিশিপ প্রোগ্রামের মান এবং প্রভাব মাপার প্রয়োজন। কেবল সংখ্যাসূচক লক্ষ্য অর্জনের বদলে, নিশ্চিত করা আবশ্যক যে প্রশিক্ষণার্থীরা কতটা কার্যকরভাবে তাদের কর্মপদ্ধতি উন্নত করছেন এবং উদ্যোগের উৎপাদনশীলতায় কীভাবে অবদান রাখছেন। এতে নিশ্চিত হয় যে অ্যাপ্রেন্টিশিপ কেবল প্রতীকী কাজ নয়, বরং একটি অর্থবহ এবং ফলাফল-নির্ভর প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়।
দ্বিতীয় এবং সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ আহ্বানটি 'সামিলতা' (Inclusion) এর ওপর কেন্দ্রিত। এমএসডিই সিপিএসই-গুলোর কাছ থেকে অনুরোধ করেছে যেন তারা অ্যাপ্রেন্টিশিপ পরিকল্পনায় বৈচিত্র্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবসায়িক ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করে। এর অর্থ হলো, প্রশিক্ষণার্থীদের নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ায় সমস্ত সম্প্রদায়, শ্রেণি এবং পটভূমির তরুণদের সমান সুযোগ দেওয়া হবে। অন্তর্ভুক্তিমূলক চর্চা গ্রহণ করে, উদ্যোগগুলো শুধুমাত্র সামাজিক ন্যায়বিচারকে উৎসাহিত করে না, বরং বৈচিত্র্যময় দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তাদের অফিসের পরিবেশকেও সমৃদ্ধ করে।
এই উদ্যোগটি দেশের কর্মসংস্থান নীতির সম্প্রসারণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে দক্ষতা উন্নয়নকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের মেরুদণ্ড হিসেবে গণ্য করা হয়। সিপিএসই, তাদের বৃহৎ পরিসর এবং প্রতিষ্ঠানিক কাঠামোর কারণে, এখানে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। যখন সরকারি খাতের উদ্যোগগুলো অ্যাপ্রেন্টিশিপে ত্বরণ আনে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক মানদণ্ড গ্রহণ করে, তখন এর প্রভাব বেসরকারি খাতেও গভীরভাবে পড়ে, যার ফলে পুরো অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়।
অ্যাপ্রেন্টিশিপের মডেলটি 'শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা' এর মিলনকে প্রতিফলিত করে। তরুণরা বাস্তব কর্মক্ষেত্রে কাজ করে শেখার সুযোগ পান, অন্যদিকে উদ্যোগকে প্রশিক্ষিত এবং নিবেদিত কর্মীশক্তির উপলব্ধি থাকে। এমএসডিই-এর এই আহ্বানের উদ্দেশ্য হলো এই দ্বিপক্ষীয় উপকারিতাকে আরও কার্যকর করা।
সিপিএসই-গুলোর এই দিকে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে আরও বেশি তরুণ এই পরিকল্পনায় যুক্ত হতে পারে। ফলাফলের ওপর কেন্দ্রীভূত দৃষ্টিভঙ্গি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি গ্রহণ করে, এই উদ্যোগগুলো শুধুমাত্র তাদের প্রতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে না, বরং সমাজের জন্যও একটি আদর্শ নমুনা উপস্থাপন করবে। শেষ পর্যন্ত, এই আহ্বানটি একটি আমন্ত্রণ, যেখানে প্রতিটি সরকারি উদ্যোগকে তাদের সামাজিক দায়িত্ব এবং পেশাগত দক্ষতা একসাথে বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।