রক্ষামন্ত্রী সিকিমের অগ্রসর পোস্টে নিয়োজিত সৈন্যদের সাথে দীপাবলি উদযাপন করেছেন
রক্ষামন্ত্রী সিকিমের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়োজিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর যোদ্ধাদের সাথে দীপাবলি উদযাপন করেছেন, যেখানে তিনি তাদের সংগ্রাম ও ত্যাগ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে গভীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
সিকিমের কঠিন ভূখণ্ড এবং অগ্রিম সীমান্তে নিযুক্ত ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীর সৈন্যদের মধ্যে এবারের দীপাবলি উৎসব বিশেষভাবে আনন্দময় ছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এই উপলক্ষে সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী সৈন্যদের সাথে মিলিত হয়ে প্রদীপ প্রজ্বলন করে এই পবিত্র উৎসবের আনন্দ উপভোগ করেছেন। এই ঘটনা দেশের প্রতিরক্ষার জন্য করা নিঃস্বার্থ সংগ্রাম ও ত্যাগের জীবন্ত প্রতীক, যা সৈন্যদের সাহস আরও উচ্চতর করেছে।
সিকিমের দক্ষিণ সীমান্তীয় অঞ্চলে ভারী বরফপাত এবং কঠোর আবহাওয়ার সত্ত্বেও, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সেখানে নিযুক্ত বাহিনীর সাথে মিলিত হয়ে দীপাবলির রাতটি অতিবাহিত করেছেন। তিনি কেবল প্রদীপ প্রজ্বলন করেননি, বরং সৈন্যদের সাথে মিলিত হয়ে খাবার খেয়েছেন এবং তাদের সংগ্রাম সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। এই সময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কঠিন পরিস্থিতিতেও দেশের নিরাপত্তার জন্য পালিত ভূমিকার জন্য সৈন্যদের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তিনি বলেছেন যে সীমান্তে নিযুক্ত প্রতিটি সৈন্য দেশের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার শক্তিশালী উপাদান, এবং তাদের প্রস্তুতিই ভারতের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।
সৈন্যরাও এই উপলক্ষে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। বরফে ঢাকা পাহাড় এবং ঘন জঙ্গলের মাঝে নিযুক্ত থাকার সত্ত্বেও, সৈন্যদের মুখে উচ্ছ্বাস ও উৎসাহের ছাপ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী দীপাবলির উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন যে সরকার সেনাবাহিনীর কল্যাণ এবং তাদের পরিবারের সমর্থনের জন্য সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি সৈন্যদের পরিবারগুলিকে চিঠি লিখে এই উৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং তাদের পূর্ণ সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন।
সিকিমের অগ্রিম সীমান্তে নিয়োগ দেশের প্রতিরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য করা হয়, কারণ এই অঞ্চল কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানকার কঠিন জলবায়ুগত পরিস্থিতিতেও ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি ও শৃঙ্খলা বিশ্বকে বহুবার মুগ্ধ করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এই সফর কেবল একটি প্রতীকী পদক্ষেপ ছিল না, বরং এটি সৈন্যদের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হিসেবেও প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সৈন্যদের বলেছেন যে তাদের নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগই রাষ্ট্রসেবার সর্বোচ্চ লক্ষ্য।
এই সময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নিয়োগের পরিস্থিতির পর্যালোচনা করেছেন এবং সৈন্যদের কাছ থেকে সীমান্তীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। তিনি সৈন্যদের পরামর্শ দিয়েছেন যে তারা তাদের স্বাস্থ্যের বিশেষ যত্ন নিন, কারণ কঠোর আবহাওয়ায় স্বাস্থ্যসুরক্ষা সবচেয়ে জরুরি। দীপাবলির রাতে অন্ধকার দূরকারী প্রদীপের আলো সীমান্তের ঠান্ডা পরিবেশকেও উষ্ণ করে দিয়েছে। এই দৃশ্য দেশভক্তি ও ঐক্যের অনন্য নমুনা ছিল, যা প্রমাণ করেছে যে পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা একসাথে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রসেবার পথে এগিয়ে চলে। সিকিমের এই অগ্রিম সীমান্তে দীপাবলির এই রাত ইতিহাসে একটি বিশেষ ঘটনা হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়েছে।