কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নতুন দিল্লি রেলস্টেশনে যাত্রী সুবিধা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিদর্শন করেছেন
কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী আশ্বিনী বৈষ্ণব নতুন দিল্লি রেল স্টেশনে যাত্রীদের প্রদত্ত সুবিধা ও নিরাপত্তা প্রোটোকলের বিস্তারিত পরিদর্শন করেন, যেখানে তিনি প্রধান নিরাপত্তা চৌকি ও যাত্রী...
Journalism India··0 ভিউ·2 মিনিট পড়ুন
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬-এ কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব দেশের রেলযাত্রার জীবনরেখা হিসেবে গণ্য নতুন দিল্লি রেলস্টেশন পরিদর্শন করেছেন। এই উপলক্ষে মন্ত্রীজি স্টেশনে উপস্থিত যাত্রী সুবিধাগুলোর মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতার গভীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। দেশের সবচেয়ে ব্যস্ততম এবং গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশনগুলোর একটি নতুন দিল্লি রেলস্টেশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সময় মন্ত্রীজি রেলওয়ে প্রশাসনকে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আগমনের পরপরই, শ্রী বৈষ্ণব নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডারদের এবং রেলওয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে স্টেশনে প্রযোজ্য নিরাপত্তা প্রোটোকল, বিস্ফোরক পদার্থের পরীক্ষার জন্য স্থাপিত গেটওয়ে স্ক্যানার এবং যাত্রীদের ভিড় পরিচালনার কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মন্ত্রীজি বিশেষভাবে এই বিষয়ে জোর দিয়েছেন যে, যাত্রীদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং যেকোনো ধরনের অবহেলার অনুমতি দেওয়া হবে না। তিনি নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তারা নজরদারি ব্যবস্থাগুলো আরও কার্যকরী করবে এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করার জন্য প্রশিক্ষিত হবে।
সুবিধাগুলোর প্রেক্ষিতে, শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব যাত্রী ভেঞ্জ, অপেক্ষাকক্ষ এবং পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থারও পরিদর্শন করেছেন। তিনি দেখেছেন যে, যাত্রীদের জন্য উপলব্ধ পানির বোতল, ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং তথ্য প্রদর্শক (ইনফরমেশন ডিসপ্লে সিস্টেম) সময়মতো আপডেট হচ্ছে কি না। মন্ত্রীজি যাত্রীদের সাথেও সরাসরি কথা বলেছেন এবং তাদের অভিযোগ বা পরামর্শগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। তিনি লক্ষ্য করেছেন যে, কিছু এলাকায় ভিড় পরিচালনায় উন্নতির প্রয়োজন এবং প্রশাসনকে এই প্রেক্ষাপটে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও, মন্ত্রীজি স্টেশনের প্রধান নজরদারি কেন্দ্র (কন্ট্রোল রুম) পরিদর্শন করেছেন, যেখান থেকে পুরো স্টেশনের লাইভ ক্যামেরা ফুটেজ দেখা যাচ্ছিল। তিনি ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করেছেন এবং প্রযুক্তিগত দলকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তারা এআই-ভিত্তিক নিরাপত্তা নিক্সগুলো আরও উন্নত করবে, যাতে যেকোনো অপরাধের ঘটনা রোধ করার জন্য সতর্কতা বজায় রাখা যায়।
শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব তাঁর বক্তৃতায় বলেছেন যে, ভারতীয় রেলওয়ে কেবল যাত্রীদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম নয়, বরং এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা যাত্রীদের পূর্ণাঙ্গ যত্নের দায়িত্ব বহন করে। তিনি নতুন দিল্লি রেলস্টেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তারা যাত্রী অভিজ্ঞতা (প্যাসেনজার এক্সপেরিয়েন্স) উন্নত করার জন্য নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। মন্ত্রীজি আশ্বাস দিয়েছেন যে, সরকার রেলওয়ে সুবিধা আধুনিকায়ন এবং নিরাপত্তায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পরিদর্শনের সমাপ্তিতে, শ্রী বৈষ্ণব রেলওয়ে স্টাফের জনগণকেও সম্মাননা জানিয়েছেন, যাদের কঠিন পরিস্থিতিতেও যাত্রীদের সেবায় নিরবচ্ছিন্নভাবে নিয়োজিত থাকার জন্য প্রশংসা করা হয়েছে। এই পরিদর্শন নতুন দিল্লি রেলস্টেশনের প্রশাসনিক এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলোকে আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কড়ি হিসেবে প্রমাণিত হবে।